স্বাগতম

স্বাগতম
ভাঙ্গলো এই অব্দে প্রদোষ নৃত্য বৈভব

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১১

Amake Amar Moto Thakte Dao Lyrics in full

Amake amar moto thakte dao lyrics and Song from Autograph Bengali movie, by Anupam Roy .Movie : Autograph

Director : Srijit Mukherjee

Music : Debajyoti Mishra, Anupam Roy

Singer : Anupam Roy

Lyrics : Anupam Roy

Lyrics :

Amake amar moto thakte dao
Ami nijeke nijer moto guchiye niyechi
Jeta chilona chilona sheta na paoyai thak
Sab pele nashto Jibon

Tomar ei duniyar jhapsa aloy
Kichu sandhyer guro haoa kaancher moto
Jodi ure jete chao tobe ga bhashiye dao
Durbine chokh rakhbona na na
Na na na na
Na na na na

Ei Jaahaj Mastul Chhaarkhaar
Tobu golpo likhchi baanchbaar
Ami rakhte chai na aar taar
Kono raat dupur-er abdaar
Tai cheshta korchi bar bar
Saantre paar khonjar.....


>>>>>>

কখনো আকাশ বেয়ে চুপ করে
যদি নেমে আসে ভালবাসা
খুব ভোরে
চোখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খুঁজোনা আমায়
আশেপাশে আমি আর নেই...
আমার জন্য আলো জ্বেলোনা কেউ
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ
এই স্টেশনের চত্বরে হারিয়ে গেছি
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরবনা .....

Autograph poster

Kokhono akash beye chup kore
jodi neme ase bhalobasa khub bhore
chokh bhanga ghume tumi khujo na amay
ashe pashe ami ar nei...
amar janye alo jelo na keu
ami manuser samudre gunechi dheu
ei station -er chattore hariye gechi
sesh train -e ghore phirbo na na na
na na na na (2)

Tomar rokte ache swapno joto
tara chhutchhe ratridin nijer moto
kokhono somoy pele ektu bhebo
anguler phaanke ami koi...
hiseber bhire ami chaina chhute
joto shukno peyajkoli fridge -er sheet -e
ami obelar daal-bhaate phuriye gechi
gelas er jol-e bhasbo na na na
na na na na (2)

Ei Jaahaj Mastul Chharkhar
Tobu golpo likhchi banchbaar
Ami rakhte chai na ar tar
Kono rat dupur-er abdar
Tai cheshta korchi bar bar
Satre par khojar.....

Na na na ..........

রবিবার, ৮ মে, ২০১১

এসো


এসো

উৎসর্গ: দেব ডি (দেবাশিস কুমার দে), শিল্পী

এসো; আমার পাশে বসো

এখানে, এখন দেখে নাও

জেনে নাও, বুঝে নাও

আমাকে, সাজানোর ছল করোনা

আততায়ী স্বপ্নে রক্তাক্ত হবো তাতে

বরং আঁজলা ভরা জল দিয়ে

ধূঁয়ে দিয়ো মুখ

পবিত্র করো আভরণে।


অবোধ প্রতিপন্ন নির্জনতা

হাঁটে আমার সাথে

হাতকড়া দিয়ে বাঁধা

চিকন সবুজের ফাঁকে ফাঁকে

দোলা দেয় কাশফুল

ভালোবেসে উছোল হয় জোছ্না।


নিঃশ্বাস নিঃস্ব করে

ফুসফুস, রক্তিম চাঁদ দেখে

জেগে উঠে মনে হয়

দুঃস্বপ্ন; ধর

ধরে রাখতে পারবে?

আমাকে; মায়ার বাঁধনে।


১২.২২ রাত

০৮.০৫.২০১১

কাজীপাড়া, ঢাকা।

শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

মিছিল

উল্লাসে মিছিল

আনন্দে মিছিল

উৎসবে মিছিল

শোকের মিছিল

লাশের মিছিল

জয়তু। মিছিলের দেশ।।

শেুধু দেখা বাকি থাকল

”প্রতিবাদের গণমিছিল”

জয়তু বাংলাদেশ।।

সোমবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

অনন্ত

আবুল হোসেন খোকন

অনন্ত, মেহিদি পাতা দেখেছ নিশ্চয়?
উপরে সবুজ, ভেতরে রক্তাক্ত ক্ষত-বিক্ষত-
নিজেকে আজকাল বড় বেশি মেহেদি পাতার মতো,
মনে হয় কেন?

উপরে আমি অথচ ভিতরে কষ্টের যন্ত্রনার-
এমন সব বড় বড় গর্ত যে-
তার সামনে দাড়াতে নিজেরী ভয় হয়, অনন্ত।
তুমি কেমন আছো?
বিরক্ত হচ্ছ না তো?

ভালোবাসা যে মানুষকে অসহায়ও করে তুলতে পারে-
সেদিন তোমায় দেখার আগ পর্যন্ত-
আমার জানা ছিলো না।
তোমার উদ্দাম ভালোবাসার দূতি-
জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে ফেলেছে আমার ভিতর-
আমার বাহির-
আমার হাতে গড়া আমার পৃথিবী।

অনন্ত, যেই মিথিলা শুখী হবে বলে-
ভালোবাসার পূর্ণ চঁন্দ গিলে খেয়ে-
ভেজা মেঘের মতো উড়তে উড়তে চলে গেল,
আজ অন্য শূন্য, অনন্তকে আরো শূন্য করে দিয়ে-
তার মুখে এসব কথা মানায় না,
আমি জানি-
কিন্তু আমি আর এভাবে এমন করে পারছি না
আমার চারদিকের দেয়াল জুড়ে থই থই করে-
আমার স্বপ্ন খুনের রক্ত।

উদাস দুপুরে বাতাসে শিষ দেয়
তোমার সেই ভালোবাসা
পায়ে পায়ে ঘুরে ফেরে ছায়ার মতোন-
তোমার স্বৃতি।
আমি আগলাতেও পারি না,
আমি ফেলতেও পারি না।
শুখী হতে চেয়ে এখন দাড়িয়ে আমি-
একলা আমি-
কষ্টের তুষার পাহারে।

অনন্ত তোমার সামনে দাড়ানোর কোন –
যোগ্যতাই আজ আমার অবশিষ্ট নেই।
তবুও,
তবুও তুমি একদিন বলেছিলে-
ভেজা মেঘের মতো-
অবুজ আকাশে উড়তে উড়তে-
জীবনের সুতোয় যদি টান পরে কখনো?
চলে এসো, চলে এসো-
বুক পেতে দেব-আকাশ বানাবো
আর হাসনা হেনা ফুটাবো।

সুতোয় আমার টান পরেছে অনন্ত,
তাই আজ আমার সবকিছু,
আমার এক রোখা জেদ,
তুমি হীনা শুখী অনেক স্বপ্ন!
সব, সবকিছু জলাঞ্জলী দিয়ে-
তোমার সামনে আমি নত জানু-
আমায় তোমাকে আর একবার ভিক্ষে দাও।
কথা দিচ্ছি- তোমার অমর্যাদা হবে না কোনদিন।

অনন্ত, আমি জানি-
এখন তুমি একলা পাষান কষ্ট নিয়ে ঘুরে বেড়াও,
প্রচন্ড এক অভিমানে-
ক্ষনে ক্ষনে গর্জে উঠে অগ্নিগিরি।
কেউ জানে না, আমি জানি-
কেন তোমার মনের মাঝে মন থাকে না,
ঘরের মাঝে ঘর থাকে না,
উঠোন জোরার উপর কলস-
তুলসি তলের ঝড়া পাতা,
কুয়ো তলার শূন্য বালতি-
বাসন-কোসন, পূর্নিমা-অমাবর্ষা,
একলা ঘরে এই অনন্ত-
একা শুয়ে থাকা।
কেউ জানে না, আমি জানি-
কেন তুমি এমন করে কষ্ট পেলে-
সব হরিয়ে বুকের তলের চিতানলে-
কেন তুমি নষ্ট হলে?
কার বিহনে চুপি চুপি, ধীরে ধীরে-
কেউ জানে না, আমি জানি-
আমিই জানি।

আগামি শনিবার ভোরের ট্রেনে তোমার কাছে আসছি।
অনন্ত, আমার আর কিছু না দাও- অন্তত শাস্তিটুকু দিও।
ভালো থেকো!
তোমারি হারিয়ে যাওয়া মিথিলা।

বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১১


বক্রবয়ানএই গাওয়া অন্য দিনের মতো নয়!undefined আরিফ জেবতিক:: কালের কণ্ঠ :: রাজকূট :: এই গাওয়া অন্য দিনের মতো নয়! www.kalerkantho.com
আমাদের খুব নিজস্ব ব্যাপারগুলো বোধহয় ধীরে ধীরে পাল্টেই যাচ্ছে। পরিবর্তনের সবগুলোই যে শুভ কিংবা অশুভ তেমন নয়, কিন্তু এই পরিবর্তন; আমাদের অভ্যস্ততাকে মাঝেমধ্যেই চমকে দেয়। আহত করে কি? হয়তোবা। আশির দশকে আমরা যারা শৈশব-কৈশোর কাটিয়েছি, স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে আমরা যারা স্কুল, কলেজ ও বিশ্বব
http://www.kalerkantho.com/?view=details&archiev=yes&arch_date=22-12-2010&type=gold&data=Recipe&pub_no=377&cat_id=3&menu_id=77&news_type_id=1&index=4

বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১০

আমরা বাঁচি

কি নিয়ে, থাকব
অযথা অপমৃত্যু হঠাৎ
জেঁকে বসা এই পৃথিবীর কোলে
মায়ের দুধ পান করে।

এ কেবলই খেলা
বুঝেছি পথ চলতে
সহমরণ অভিযাত্রী যাত্রীর
কাছ থেকে।
আয়োজনের অনারম্বর উচ্ছাসে
ভুলেছি কর্তব্য বিগত ঋনের।

রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১০

একজন সুখী অথবা নিঃস্বার মানুষ

প্রতিদিন যেতে দেখি হেটে হেটে

নিবিষ্ট মনে, যেনো হাটাটা উপভোগ

করতে করতে, যেতে হই তাকে

এভাবেই প্রতিদিন হেটে হেটে।

হালকা গোছান লাল-সাদা-কালো

চুলের অন্তরালে পাঁক ধরেছে জীবনটা

কখন টের পায়নি কেউ।

শুধু পান করেছে ভিক্ষুকের মতো

তার পথ চলাতে আনন্দ (লালসা) কুড়িয়ে নিতে।

ক্রমশঃ
জীবন এগিয়ে চলে বয়স নিয়ে
পেন্ডুলাম তারা গোনে
টিক টিক টিক টিক টিক টিক।
যা ছিল, আছে ; সাথে নিয়ে
প্রতিদিন হেটে হেটে
এগিয়ে যায় বাড়ন্ত দিন,
তারা-আকাশ পথ দিয়ে
রাস্তার ধূলো-কাঁদা কাপড়ে মেখে।
এগিয়ে যায় আনুভুতিহীন চেতনার
মাঝে জীবন ধীরে ধীরে।

কখনো আপন হয়েছে পথটা বা

ধূলো-কাঁদা, ডাষ্টবিনের ময়লা

হয়তো দেখেছে তার নিপাট

হেটে যাওয়া প্রতিদিন

এই পথ ধরে উদাস হয়ে।

চেতনার লাল সিন্দুকে তালা

মেরে যেতে হয় তাকে

এই পথ ধরে; কতদূর জানো?

বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০১০

মঙ্গলবার, ১৭ আগস্ট, ২০১০

একদিন জল থেকে মাছ উঠে
মাছ থেকে মাছরাঙ্গা
উরতে উরতে ওরার ক্লান্তিতে বৃক্ষের বুকে......
জ়েমস

SUPROVAT

তৈরী হোন, ;

শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০১০

zontrona...

zodi aaj amar bon garm. worker hoto, aar tar takay zodi ami porasuna kortam othoba amader songser cholto. tobe ami ki kortam? zara amar bonke protidin thokacche, ektu ektu kore thukre khacche; tader ke? tara police bol, peshi bol, ortho bol, shamajik bol niye amader shoson korche. amra aar kotodin esob chup chap cheye cheye dhekhbo; chokher samne kichu lok na kheye tader nazzo dabir niye asohayer moto andolon korche?

শুক্রবার, ২৬ মার্চ, ২০১০

shadhinota dibosh niye vabna..... "dim age na murgi"

25th-26th march desher vagge ghote zaoua ek ovutpurbo ghotnar chakkhus sakkhi hote parini dukkho, r ekhon chailey zuddhho kora zaina... zai hok "history jenechi histiry theke ebong ta janar pore zokhon upoloddhi korte parlam ki chilo ta asole," mone ekhon prosno jage amra shadinota dibos palon kori othcho zader mrritute oii ghosona dite baddho holam tader ke smoron kori kintu shok dibos palon kori na? onek shunchi dibosher tatporjjo, shikhechi bisheshoggo der moto bekkha korte lakin korte na? jar karone tokhon mone hoyechilo amader pitth deyale theke gese othoco takei aaral kori ghoshona diboser tatporje! kije kori ei sober uttor pete "dim age na murgi" totto tao jhalai korlam kintu tobu bangali dorshon tate dhorena.

রবিবার, ২১ মার্চ, ২০১০

my first autograph hunting...

.........কলেজ এর ব্যাবস্থাপনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদযাপন হলো, সবার বক্ত্যব শেষে উপস্থিত বেশ কজনের নাম শোনানো হল.......সেলিনা হোসেন, বেলাল চৌধুরী আরও ছিলেন খালিদ হোসেন, ওস্তাদ সৈয়দ জ়াকির হোসেন, সাদি মহম্মদ আরও অনেকে .........

ছবি তুলছিলাম ক্যামেরা মোবাইলে ..... হঠ্যাৎ পেয়ে গেলাম সামনের সারিতে বসা সেলিনা হোসেন কে, একটুও ইতস্তত করে সময় নস্ট না করে বিনা অনুমতিতে একটা ছবি তুলে বসলাম এবং চাইলাম খাতা বাড়িয়ে পথ চলার দাওয়া.............
তিনি লিখে দিলেন "মানুষকে ভালবাসতে শেখো"..........
লেখা শেষ হলে তাঁর সেই পরশ পাথরে গড়া হাতটি মাথায় ছোয়ানোর দাবি করলে তাও পূরণ করলেন..........
সেদিন থেকে ভাবছি
আগে মানুষ কে নাকি নিজেকে
নাকি শুধু নিজেকে
অথবা মানুষ কে
কিংবা কাওকেই না ভালবেসে
কাটিয়ে দেব জীবন
তাঁর দেওয়া দোঁয়া কি
তবে নির্স্কমার বোঝা বইবে?
আমি কি ভালবাসা চাইনা?
নাকি দিতে জানিনা?
নাকি ছিলনা একতিল কোনদিন!
জমে নি কখনো দানা বেধে।
জানিনা এত জানবার কি
কিসের র্স্পধা টানে
শুধু মনে মনে।